বাংলাদেশে কম্পিউটার এখন আর বাড়তি কোনো সুবিধা নয় — এই যন্ত্রই এখন শিক্ষা, চাকরি ও সরকারি সেবার প্রবেশপথ। চাকরির আবেদন, ভর্তি প্রক্রিয়া, ব্যাংকিং, নানা সরকারি ফরম, এমনকি ছোট দোকানের হিসাবও আজ কম্পিউটারনির্ভর। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অনেক আগ্রহী ও সক্ষম মানুষ কেবল কম্পিউটারের সামনে বসার সুযোগ পাননি বলেই পিছিয়ে থাকেন। এই দূরত্ব কমাতেই আমরা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।
প্রশিক্ষণ শুরু হবে একেবারে গোড়া থেকে। কম্পিউটার চালানো, বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং, নথি ও সাধারণ স্প্রেডশিট তৈরি, ই-মেইল ব্যবহার, ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা এবং অনলাইনে আবেদন ও ফরম পূরণ — প্রতিটি বিষয় আমরা হাতে-কলমে শেখাব। আমরা দল এমন ছোট রাখব, যাতে প্রত্যেকে নিজে কি-বোর্ডে যথেষ্ট সময় পান। তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে আমরা গুরুত্ব দেব বাস্তব কাজের ওপর, আর ক্লাস নেব সহজ ভাষায়।
নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারও থাকবে পাঠের অংশ হিসেবে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা, অনলাইন প্রতারণা চিনতে পারা এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্র পরিবেশের ওপর যে চাপ তৈরি করে, সেটিও আমরা শেখাব — যন্ত্র যত্নে ব্যবহার করা, সম্ভব হলে মেরামত করে টিকিয়ে রাখা এবং অকেজো যন্ত্রাংশ সাধারণ আবর্জনার মতো যেখানে-সেখানে না ফেলা। ডিজিটাল দক্ষতা আর পরিবেশ সচেতনতাকে আমরা আলাদা বিষয় মনে করি না।
শিক্ষার্থী, পড়াশোনা মাঝপথে থেমে যাওয়া তরুণ-তরুণী, ঘরের কাছে কাজ খুঁজছেন এমন নারী এবং জীবিকার উন্নতি চান এমন যে কেউ এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন। প্রশিক্ষণে যোগ দিতে, স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষক হিসেবে সময় দিতে কিংবা নিজের এলাকায় প্রশিক্ষণ আয়োজনের আগ্রহ জানাতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।